দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফুটবল মাঠে রেফারি যখন পকেট থেকে লাল কিংবা হলুদ কার্ড বের করেন, সাধারণত তা কোনো অপরাধ বা ফাউলের শাস্তির প্রতীক। তবে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক বিদায়ী ম্যাচে ঘটেছে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী এক ঘটনা। শেষ বাঁশি বাজার পর রেফারির পকেট থেকে বের হওয়া লাল ও হলুদ কার্ড দুটি কোনো শাস্তির জন্য নয়, বরং সম্মাননা ও স্মারক হিসেবে উঠেছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার হাতে।
বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর মাঠের সব আলো ছিল মেসিকে ঘিরে। ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাচের রেফারি ফার্নান্দো ভেখার এগিয়ে যান আর্জেন্টাইন অধিনায়কের দিকে। তার হাতে ছিল বিশেষ এক উপহারের সেট—একটি লাল ও একটি হলুদ কার্ড।
বিশ্ব ফুটবলে মেসির অবদান এবং তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেন রেফারি ভেখার। মেসিও হাসিমুখে স্মারক দুটি গ্রহণ করেন। শুধু কার্ড নয়, বিদায়ী ম্যাচের অফিশিয়াল বলও আর্জেন্টাইন অধিনায়কের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ২০৮তম ও শেষ ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন মেসি। বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই সরাসরি অবদান ছিল তার। ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে নিকোলাস ওতামেন্দিকে দিয়ে গোল করান তিনি। ৬১তম মিনিটে তরুণ নিকো পাজকে দিয়ে দ্বিতীয় গোল করানোর পর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করেন মেসি।
এক গোল ও দুই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে আকাশী-নীল জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে ২০৮ ম্যাচে তার মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়াল ১২৬, সঙ্গে রয়েছে ৭০টি অ্যাসিস্ট।
বিদায়ী ম্যাচে রেফারির দেওয়া লাল ও হলুদ কার্ড এবং ম্যাচের বল তাই মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ রাতের বিশেষ স্মারক হয়ে থাকল।
এমএস/